নিজস্ব সংবাদদাতা
নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ বলেছেন, ১৯২০ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু জন্মগ্রহণ করেছিলেন। তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন বলেই আমরা এই স্বাধীন দেশটি পেয়েছি। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে বলেই আজ আমরা জেলা প্রশাসক হয়েছি পুলিশ সুপার হয়েছি। এই মার্চ মাসেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু শিশুদের ভালোবাসতেন, শিশুদের কাছে ডাকতেন। আর তাই আজকের এই দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১৭ মার্চ) সকালে জেলা প্রশাসন ভবনের সামনে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন,পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীল, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, বীর মুক্তিযোদ্ধা জুলহাস ভূঁইয়া, সিভিল সার্জন, জেলা কালচারাল কর্মকর্তা রুনা লায়লাসহ জেলা প্রশাসক ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকতা।
জেলা প্রশাসক বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। আর বঙ্গবন্ধু যখন জন্মগ্রহণ করেন, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়েছেন। তিনি আগামী ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার ঘোষণা দিয়েছেন। আমরা আস্তে আস্তে স্মার্ট অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গোলাম মোস্তফা রাসেল বলেন, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জন্য যা যা করে গেছে, এই কোমলমতি শিশুদের সে সম্পর্কে জানাতে হবে। তাহলেই বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী সঠিকভাবে পালন করা হবে। বঙ্গবন্ধুর সাথে শিশুদের যে আত্মিক সম্পর্ক ছিলো সেটা জানাতে হবে। বঙ্গবন্ধুর যে চারিত্রিক গুনাবলী ছিলো, সেটা শিশুদের মাঝে প্রতিস্থাপন করতে হবে। তিনি বলেন, আজকের শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। তারাই দেশকে পৃথিবীর বুকে তুলে ধরবে। সেই লক্ষে আমরা আমাদের সন্তানদের গড়ে তুলবো। নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বাবু চন্দন শীল বলেছেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার মাধ্যমে তারা বাংলাদেশকে হত্যা করতে চেয়েছিলো। তবে, ইতিহাস তার নিজস্ব গতিতে চলে আর সত্য কখনো চাপা থাকে না। এখানে অভিভাবক যারা আছেন, তাদের কাছে আমার অনুরোধ যে, একবার হলেও আপনার সন্তান পরিবার নিয়ে বঙ্গবন্ধুর সমাধীস্থল ঘুরে আসবেন। কারণ, পরবর্তী প্রজন্মকে জানতে হবে যে কোন জায়গা থেকে একটি মানুষ এসে সারা বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছিলো। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুর একটি দিক ছিলো যে, সে যা বলতেন তাই করে দেখাতেন। তার ৭ মার্চের ভাষণ একটি মহাকাব্যে পরিণত হয়েছে। সারা বিশ্ব এটা স্বীকৃতি দিয়েছে। বাচ্চাদের বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানান। যে কারণে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিলো, ওই ঘাতকরা সেই মিশনে ব্যর্থ হয়েছে। তার ২ কন্যা ভাগ্যক্রমে জীবিত আছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার পিতার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরালস কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ২০৪১ সালের মধ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানের ঘোষণাও দিয়েছেন।
গোপনীয়তা নীতি | এই ওয়েবসাইটের কোন লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।